কর দুটি ছিল গ্রহটির পূর্ব পাশে এবং একটি ছিল গ্রহটির পশ্চিম পাশে? - প্রশ্নবিডি
প্রশ্নবিডি'তে আপনাকে সুস্বাগতম।এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং প্রশ্নবিডি এর অন্যান্য সদস্যদের নিকট থেকে উত্তর পেতে পারবেন।বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন...
25 বার প্রদর্শিত
"ভূগোল" বিভাগে করেছেন (780 পয়েন্ট)

এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে দয়া করে প্রবেশ কিংবা নিবন্ধন করুন ।

1 উত্তর

0 টি ভোট
করেছেন (780 পয়েন্ট)
পর্যবেক্ষণে টেলিস্কোপটির ব্যবহার ছিল উল্লেখ করার মতো। যেমনশুধুমাত্র পৃথিবীরই নয়, অন্য সকল গ্রহেরও উপগ্রহ থাকতে পারে-প্রথম এই মতটি আবিষ্কার করেন গ্যালিলিও, তাঁর বানানো টেলিস্কোপ দিয়ে । ৭ জানুয়ারি, ১৬১০ সালে গ্যালিলিও বৃহস্পতি গ্রহ পর্যবেক্ষণকালে গ্রহটির কাছাকাছি তারা সদৃশ তিনটি বস্তু দেখতে পান। এর দুটি ছিল গ্রহটির পূর্ব পাশে এবং একটি ছিল গ্রহটির পশ্চিম পাশে। পরের দিন সন্ধ্যায় তিনটি বস্তুকেই গ্রহটির পশ্চিম পাশে অবস্থান করতে দেখেন। অথচ তারার ক্ষেত্রে এত দ্রুত স্থান পরিবর্তন করা সম্ভব নয় । পরের সন্ধ্যায় এ ধরনের কোনো বস্তুই তিনি দেখতে পেলেন না । চতুর্থ রাতে দুটি বস্তুকে গ্রহটির পূর্ব পাশে দেখা গেল, যদিও এবার পশ্চিম পাশে কোনো উজ্জ্বল বস্তু দেখা গেল না। তিনি বুঝতে পারলেন, তৃতীয় বস্তুটি নিশ্চয়ই গ্রহটির আড়ালে ঢাকা পড়ে আছে কিছুদিন পর কাছাকাছি স্থানে তিনি চতুর্থতম বস্তুর সন্ধান পান। এ হাড় পর্যবেক্ষণকালে তারাগুলোর উজ্জ্বলতায় হেরফের হচ্ছিল। গ্যালিলিও একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছলেন যে তারকাসদৃশ এই বস্তুগুলো আর যা-ই হোক না কেন, তারা নয়। বস্তুগুলো নিশ্চয়ই বৃহস্পতি গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘুরছে। যেমনটা গ্রহগুলো ঘোরে সূর্যকে কেন্দ্র করে। এর অর্থ গ্রহেরও উপগ্রহ থাকতে পারে । তাঁর দেখা বস্তুগুলো যে বৃহস্পতির উপগ্রহ সে বিষয়ে তার মনে আর কোনো সন্দেহ রইল না। গ্যালিলিও তাঁর দূরবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে চন্দ্রপৃষ্ঠে অসংখ্য গর্ত দেখতে পান। অ্যারিস্টটল চাদকে সমতল ও মসৃণ বস্তু বলে মনে করতেন, যার নিজস্ব আলো আছে। গ্যালিলিও বললেন, চাঁদের নিজস্ব আলো নেই। চাঁদ সূর্যের আলো দ্বারা আলোকিত হয়। তিনি চাঁদকে সমতল না বলে বললেন, পৃথিবীতে যে রকম পাহাড় পর্বত দেখা যায় সে রকম পাহাড় পর্বত চাদেও আছে। গ্যালিলিও চাঁদের পাহাড়গুলোর উচ্চতা নির্ণয় করেন। এ ছাড়া। চনকে তিনি আলাদা একটি জগৎ বলে মনে করতেন যেখানে আছে সাগর, মহাসাগর ও মহাদেশ। মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির অগণিত তারা দেখে তিনি বললেন, এগুলো বহু দূরে অবস্থিত-যে কারণে আমরা এগুলোকে ঠিকমতো দেখতে পাই না। আমরা যা দেখি তা হচ্ছে তারাগুলোর সম্মিলিত উজ্জ্বলতা। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও শুক্রের কলা আবিষ্কার করেন এবং বলেন, গ্রহগুলোতে সূর্যের আলো পড়ার কারণে আমরা এগুলোকে উজ্জ্বল দেখি। কলা হচ্ছে গ্রহ বা উপগ্রহের পৃষ্ঠে আপতিত সূর্যের আলোর ভিন্নতা। ২.৩ নিউটনীয় গতিবিদ্যা গ্যালিলিওর যোগ্য উত্তরসূরি নিউটন তাঁর বলবিদ্যার সূচনা করেছিলেন। মূলত গ্যালিলিওর পর্যবেক্ষণনির্ভর জ্ঞান এবং দেকার্তের দর্শননির্ভর যুক্তিতর। ওপর ভিত্তি করে। গ্যালিলিওর পর্যবেক্ষণনির্ভর বিজ্ঞানের সাথে নিজের। গাণিতিক প্রতিভার সমন্বয় সাধন করে নিউটন ১৬৮৭ সালে “ফিলোসছি । ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথম্যাটিকা' নামক একটি বই প্রকাশ করেন। যেখানে তিনি তাঁর বলবিদ্যা সম্পর্কিত ধারণাগুলো বিশদ ও ধারাবাহিকভাবে। লিপিবদ্ধ করেছেন। বইটিকে তিনটি অংশে ভাগ করে বলবিদ্যার বিভিন্ন । বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মহাকর্ষীয় বলের ব্যাখ্যা আছে বইয়ের তৃতীয় অংশে। পদার্থবিজ্ঞানের পুস্তক প্রকাশনা জগতের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বইগুলোর তালিকা করতে বলা হলে এই বইটির নাম সর্বপ্রথমে থাকবে-এতে কোনো সন্দেহ নেই । নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র গড়ে উঠেছে তাঁর বলবিদ্যার ওপর ভিত্তি করে। আর তাঁর বলবিদ্যা গড়ে উঠেছে তাঁর গতি সম্পর্কিত ধারণাগুলোকে পুঁজি করে। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের ভিত্তি গতির এই ধারণাগুলোকে নিউটন তিনটি সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। এই সূত্র তিনটি বস্তুর সকল প্রকার গতিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এমনকি সরলরৈখিক গতি ছাড়াও আমরা যখন ঘূর্ণন গতি নিয়ে আলােচনা করি তখনও নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের আশ্রয় নিই । কেননা ঘূর্ণন গতিতে ত্বরণের আভাস দেওয়া আছে। অনুরূপ নিক্ষিপ্ত বস্তুর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। পৃথিবী ছেড়ে সৌরজগতের গ্রহগুলোর গতির কথা চিন্তা করলেও কোনো ভাবে ত্বরণ, বল ইত্যাদি শব্দগুলো চলে আসে যেগুলো নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের বিষয়। সে জন্য মহাকর্ষ সূত্র বুঝতে হলে নিউটনের গতিসূত্রগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। পৃথিবীর মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র ছেড়ে মহাকাশে পাড়ি জমালে নিউটনীয় গতির প্রথম সূত্র কার্ড করবে। আবার নিউটনের তৃতীয় সূত্রের প্রয়োগতাকে হরহামেশাই দেখ। যায়। শুধুমাত্র একটা স্থানে এসে নিউটনের গতিবিদ্যা সীমাবদ্ধতার বেড়াজালে আটকে যায়, আর সেটা হচ্ছে আলো ও আলোর সাথে তুলনা বেগ। এই সীমাবদ্ধতা আরও একটি সীমাবদ্ধতাকে ইঙ্গিত করে যেটা । মহাকর্ষ সূত্র কাজ করে না। সুতরাং মহাকর্ষের এই তীব্রতার সীমাকে। মহাকর্ষীয় তত্ত্বতার সাথে সম্পর্কিত। তীব্র মহাকর্ষীয় ক্ষেত্রে নিউটনের ।

সম্পর্কিত প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

1,079 টি প্রশ্ন

1,062 টি উত্তর

33 টি মন্তব্য

456 জন সদস্য

প্রশ্নবিডি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি অনলাইন কমিউনিটি। এখানে আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন এবং অন্যদের প্রশ্নে উত্তর প্রদান করতে পারবেন ৷ আর অনলাইনে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য উন্মুক্ত তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার কাজে অবদান রাখতে পারবেন ৷
প্রশ্নবিডিতে প্রকাশিত প্রশ্ন ও উত্তরের দায়ভার কেবল সংশ্লিষ্ট প্রশ্নকর্তা ও উত্তর দানকারীর৷কোন প্রকার আইনি সমস্যা প্রশ্নবিডি বহন করবে না৷
...